নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার লালমাই উপজেলায় চলমান কয়েকটি উন্নয়নকাজের নির্মাণমান ও কাজের তদারকি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক জাবের আহমেদ।
সম্প্রতি নিজের ফেসবুক পোস্টে তিনি উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় চলমান উন্নয়নকাজ পরিদর্শনের কথা জানিয়ে এসব অভিযোগ করেন।
জাবের আহমেদ তার পোস্টে উল্লেখ করেন, তিনি পাড়বাইন-তেলিপাড়া সড়ক পাকাকরণ, খিলপাড়া-রাজশা সড়কে ডাবল সলিং (হেরিংবন্ড), কনকশ্রী-বদরপুর সড়ক পাকাকরণ, দরবেশপাড়া-গৈয়ারভাঙ্গা সড়কের ১৮ ফুট প্রশস্তকরণ এবং তেলিপাড়া ভাঙা কালভার্ট পুনর্নির্মাণের জন্য স্থান পরিদর্শনসহ বেশ কয়েকটি উন্নয়নকাজ সরাসরি দেখেছেন।
তার দাবি, পরিদর্শন করা কয়েকটি কাজের নির্মাণমান তার কাছে সন্তোষজনক মনে হয়নি। বিশেষ করে নিম্নমানের ইট ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ তুলে তিনি এসব কাজের মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।
পোস্টে তিনি আরও অভিযোগ করেন, পরিদর্শনের সময় কোনো কাজের স্থানেই সংশ্লিষ্ট ‘এসও’ বা দায়িত্বপ্রাপ্ত তদারকি কর্মকর্তাকে তিনি পাননি। ফলে সরকারি উন্নয়নকাজগুলো যথাযথভাবে তদারকি করা হচ্ছে কি না, তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।
জাবের আহমেদ পোস্টে আরও বলেন, কাজের মান নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলতে গেলে তাদের বিরুদ্ধে চাঁদা চাওয়ার অভিযোগ তোলা হয়। তার ভাষ্য, এ ধরনের পরিস্থিতির সুযোগে ঠিকাদার বা সংশ্লিষ্টরা নিজেদের মতো করে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন।
তিনি জানান, বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট উন্নয়ন সংস্থাগুলোকে অবহিত করেছেন। যেসব কাজ ইতোমধ্যে নিম্নমানের হয়েছে, সেগুলো সংশোধন এবং পরবর্তী কাজগুলো নির্ধারিত মান অনুযায়ী করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
একই সঙ্গে উন্নয়নকাজের মান নিশ্চিত না হলে এলাকাবাসী কাজ বন্ধ করে দেওয়ার মতো কর্মসূচিতে যেতে বাধ্য হতে পারেন বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন জাবের আহমেদ।
তবে তার এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান, প্রকল্প বাস্তবায়নকারী সংস্থা বা দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রকৌশল কর্মকর্তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাই এবং প্রকল্পের নির্ধারিত নির্মাণমান ও বাস্তব কাজের মান তুলনা করে দেখা প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
সম্প্রতি দরবেশপাড়া থেকে গৈয়ারভাঙ্গা পর্যন্ত সড়কে নিম্নমানের খোয়া ব্যবহারের সংবাদ "আলোকিত লালমাই" নিউজ পোর্টালে প্রকাশিত হয়েছে।