নিজস্ব প্রতিবেদক।।
কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপি'র কার্যালয়ে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগে বিএনপি, যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীসহ ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা দায়ের করা হয়েছে।
৫ অক্টোবর সোমবার কুমিল্লা কোর্টে এই মামলা দায়ের করা হয়। ৫১ জন ছাড়াও মামলায় আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে বিএনপি'র উপজেলা কার্যালয়ে হামলা, ভাঙচুর এবং সেখানে থাকা চেয়ার-টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্রের ক্ষতিসাধনের অভিযোগ আনা হয়েছে। তবে অভিযোগের বিষয়ে আদালতে প্রমাণিত হওয়ার আগে আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগকে অভিযোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
মামলার নথিতে উল্লেখ করা ৫১ জন নামীয় আসামি হলেন—
১. মো. মানিক মিয়া (৪৩), পিতা- মৃত রাজা মিয়া, সাং- বলিপদুয়া।২. মো. ইকবাল মজুমদার (৪২), পিতা- মৃত মনতাজ মজুমদার, সাং- চাঁদ কলমিয়া।৩. সৌরভ হোসেন রেপ (৪০), পিতা- আলী আশ্রাফ।৪. মো. কামাল হোসেন (৪২), পিতা- আলী আশ্রাফ, সাং- বাগমারা।৫. এম জাবের আহম্মেদ জাবেদ (৪৮), পিতা- মাওলানা সালামত উল্যাহ একরামি, সাং- পালপাড়া।৬. শাহআলম (৪৫), পিতা- অহিদুর রহমান, সাং- শানিঁচোঁ।৭. হাবিবুর রহমান মজুমদার (৪৩), পিতা- মৃত সিদ্দিকুর রহমান, সাং- গোলাচাঁ।৮. ডা. মহিন উদ্দিন (৪২), পিতা- বজলের রহমান, সাং- ডুমুরিয়া।৯. মো. সেরাজু হক প্রকাশ চারু (৪৫), পিতা- মৃত বাচ্চু মিয়া, সাং- পূর্ব অশ্বথলা।১০. মো. সিদ্দিক মিয়া (৫৫), পিতা- মৃত জানু মিয়া, সাং- পূর্ব অশ্বথলা।
১১. মো. শরীফ (৩৫), পিতা- আলী আকবর, সাং- বাগমারা।১২. মো. শাহাজান (২৩), পিতা- আলী আকবর, সাং- বাগমারা।১৩. মো. সোহেল (৪৫), পিতা- মৃত জয়নাল আবেদীন, সাং- সৈয়দপুর।১৪. মো. আহসান উল্যাহ (৪৩), পিতা- মৃত আলী আজ্জম, সাং- বরল।১৫. মো. আবুল কালাম (৪৮), পিতা- মৃত ফজলুর রহমান, সাং- কেশনপাড়।১৬. শম্ভু রায় (৪৩), পিতা- হরিপদ রায়, সাং- নাওরা।১৭. মো. বাবুল মিয়া (৪৮), পিতা- মৃত বজলুর রহমান, সাং- দত্তপুর।১৮. সদ্দাম হোসেন টিপু (২৮), পিতা- আহাম্মদ হোসেন, সাং- রায়পুর।১৯. মো. খোরশেদ আলম (৪২), পিতা- আজগর আলী, সাং- সৈয়দপুর।২০. মো. মাসুদ (৩৭), পিতা- মৃত আঃ হাকিম, সাং- সৈয়দপুর।
২১. মো. আল আমিন প্রকাশ অয়ন (৩৩), পিতা- মোখলেসুর রহমান।২২. মো. সোহাগ (৩৮), পিতা- ইয়াকুব মিয়া, সাং- বালগাঁও।২৩. মো. আরিফ মজুমদার (৩৬), পিতা- আব্দুল মতিন মজুমদার, সাং- শ্রীপুর।২৪. মো. এবায়েদ উল্যাহ (৩৮), পিতা- আলফাজ মিয়া, সাং- হলদিয়া।২৫. মো. সোলোমান (৩৫), পিতা- মৃত তাজুল ইসলাম, সাং- চেঙ্গাহাটা।২৬. মো. কবির হোসেন (৪৫), পিতা- ছবির উদ্দিন, সাং- পাইকপাড়া।২৭. মো. রাজু আহাম্মেদ (৩৬), পিতা- অলি উদ্দিন, সাং- উত্তর ছিলোনিয়া।২৮. হারুনুর রশিদ (৪২), পিতা- মৃত আঃ হাকিম।২৯. মো. রবিউল হোসেন (৩২), পিতা- গোলাপ হোসেন, সাং- অশ্বথলা।৩০. মোজাম্মেল হক (৪০), পিতা- মৃত কোরবান আলী, সাং- যাদবপুর।
৩১. মো. সোহাগ (৩২), পিতা- বাচ্চু মিয়া, সাং- পোহনকুছা।৩২. মো. সোহাগ তালুকদার (৩৬), পিতা- আঃ গফুর তালুকদার, সাং- পশ্চিম আশকামতা।৩৩. আসাদুজ্জামান প্রকাশ রাসেল (২৮), পিতা- শাহআলম মজুমদার, সাং- শাসনপাড়া (মজুমদার বাড়ী)।৩৪. মো. খালেদ মজুমদার (৩৮), পিতা- আঃ কাদের মজুমদার, সাং- গজারিয়া।৩৫. মো. মোশারফ হোসেন (৪৫), পিতা- সমাছুল হক, সাং- কলমিয়া।৩৬. ওসমান গনি রিংকু (৪৫), পিতা- মৃত সিরাজুল ইসলাম, সাং- ঘোশারিচো।৩৭. রিয়াজ (২৮), পিতা- আবুল কাশেম, সাং- দক্ষিণ বড়তুলা।৩৮. সদ্দাম (৩৮), পিতা- আজাদ হোসেন, সাং- গোসাই পুকুরনী।৩৯. জাকির হোসেন (৪৮), পিতা- আলী আজ্জম, সাং- বরল।৪০. মো. আনোয়ার উল্যা (বিএসসি) (৬২), পিতা- মৃত সিদ্দিকুল্লাহ ভেন্ডার, সাং- উল্লানিয়া।
৪১. মাহবুব আলম (বিএ) (৫৮), পিতা- মৃত আলীমদ্দিন, সাং- রাজসা।৪২. মো. আসালম মজুমদার (৫৫), পিতা- মৃত আলী আশ্রাফ মজুমদার, সাং- উত্তর ধনপুর (মজুমদার বাড়ী)।৪৩. মো. আলী আশ্রাফ (৫৮), পিতা- মৃত আলতাফ আলী, সাং- বাগমারা।৪৪. মো. আক্তারুজ্জামান রকেট (৫৫), পিতা- মৃত মালেক মজুমদার, সাং- জয়নগর (দক্ষিণপাড়া)।৪৫. মো. রফিকুল ইসলাম প্রকাশ সুয়া মেম্বার (৫৬), পিতা- মৃত আঃ ছোবহান, সাং- ভোরাজগতপুর।
৪৬. মো. শামীম (৩২), পিতা- মোস্তফা কামাল, সাং- পূর্ব অশ্বথলা।৪৭. মো. শিল্পিন আহাম্মদ (৫৫), পিতা- মৃত সালামত উল্যাহ একরামি, সাং- পালপাড়া।৪৮. মো. আরিফ বিল্লাহ (৫৩), পিতা- মৃত মাওলানা আব্দুল হাকিম, সাং- বেলঘর।৪৯. মো. শান্ত হোসেন সোহাগ (৩৭), পিতা- তোতামিয়া, সাং- জয়নগর।৫০. মো. শহীদুল ইসলাম, পিতা- রুস্তম আলী, সাং- দেওতাগাঁও (আজবপুর)।৫১. অভিযোগে আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে।
অভিযুক্তরা সবাই কুমিল্লা-১০ আসনের এমপি মোবাশ্বের আলম ভূইয়ার অনুসারী বলে জানা গেছে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, ঘটনার সময় বিএনপি কার্যালয়ের ভেতরে থাকা চেয়ার, টেবিলসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়। পরে কার্যালয়ের ভেতরের আসবাবপত্র ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা যায় বলে মামলার নথিতে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়েছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ রয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।